মহিলা লীগ নেত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা

পটুয়াখালীতে আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

পটুয়াখালীপটুয়াখালীর এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. এনামুল ইসলাম লিটুসহ দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে  গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো.ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক এ পরোয়ানা জারি করেন।
আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত করে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ রাতে রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের যুব মহিলা লীগ নেত্রীর স্বামীর অনুপস্থিতিতে এনামুল ইসলাম লিটু ও তার সহযোগীরা মামলার বাদীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের অপচেষ্টা চালায়। এসময় তার চিৎকারে বাড়ির আশপাশের লোকজন এসে পড়লে আসামি লিটু ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য বাদীকে হুমকী দেন লিটু।

এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ অভিযোগ নিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত ২৮ মার্চ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে  লিটু ও তার দুই সহযোগীসহ মোট তিন জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দায়ের করা হয়। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে পিবিআই কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন। পিবিআই তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

আরও পড়ুন: ‘পুলিশের অত্যাচারেই আমার সন্তান মারা গেছে’ 

/এআর/