বরগুনায় বিদ্যুতের গ্রিড সাব-স্টেশন স্থাপনের দাবি

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ

বরগুনায় বিদ্যুতের গ্রিড সাব স্টেশন স্থাপনের দাবিতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সদস্যরা ।

জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সদস্যরা সোমবার (১৩ জুন) বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সোমবার বেলা সাড়ে বারোটা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত একটি রুমের ভেতরে তালাবদ্ধ করে রাখে। দেড় ঘণ্টা পরে পুলিশ গিয়ে তাদের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করে।

বরগুনা

নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল বলেন, বরগুনায় বিদ্যুতের গ্রিড সাব স্টেশন স্থাপনের দাবিতে বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটি গত এক বছর ধরে আন্দোলন করছি। রবিবার বরগুনায় ভোর রাত থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। এতে বরগুনাবাসীকে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়। কিন্তু সোমবারও সকাল থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বরগুনাবাসীকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকতে হয়েছে। আগের কর্মসূচি অনুযায়ী বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির অন্যতম সদস্য বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাসানুর রহমান ঝন্টু ও বরগুনা জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুশফিক আরিফের নেতৃত্বে ১৫ জন সদস্য সোমবার বেলা সাড়ে বারোটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে গিয়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে নিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এসময় আন্দোলনকারী তাদের দাবি পূরণে নির্বাহী প্রকৌশলীকে চাপ প্রয়োগ করা হয়।

এসময় নির্বাহী প্রকৌশলী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কমিটির সদস্যদের জানান, বরগুনায় গ্রিড সাব-স্টেশন নির্মাণ করা হবে। সেইসঙ্গে সাময়িক সমস্যা দূরীকরণে ভান্ডারিয়া থেকে বরগুনা পর্যন্ত ৬৮ কিলোমিটারের ৩৩ কেভি লাইনে আর্থওয়্যার লাগানোর কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে আর্থওয়্যার লাগানোর কাজ শেষ হবে। আর্থওয়্যার লাগাতে পারলে বজ্রপাতে আর কোনও সমস্যা হবে না। তবে পটুয়াখালী থেকে বরগুনায় বিকল্প বিদ্যুৎ লাইনের টেন্ডার এখনও হয়নি বলেও তিনি জানান।

বরগুনা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, আমি অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য পুলিশ সুপারের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। বেলা ২ টার দিকে পুলিশের এএসপি ( সদর সার্কেল ) কাজী আবদুল কাইউম ও সদর থানার ওসি রিয়াজ হোসেন পিপিএম-এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে আমাদের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করেন। 

/টিএন/

আরও পড়ুন:

বিশেষ অভিযানের তৃতীয় দিন: ৩৪ জঙ্গিসহ গ্রেফতার ৩২৪৫

বাংলা ট্রিবিউনকে জি এম কাদের: জাপার কোনও রাজনীতি নেই


মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী না থাকায় আবারও সংসদে জাপার অসন্তোষ