মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো.মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন গত বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদে এসে সচিব আশুতোষকে খুনের হুমকি দিয়ে পরিষদ থেকে একটি কম্পিউটার, চেয়ার-টেবিল ও মূল্যবান কাগজ-পত্রসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এসময় পরিষদের বিভিন্ন আসবাবপত্রও ভাঙচুর করে ওই চেয়ারম্যান।
এদিকে মামলার বিষয়ে চেয়ারম্যান মহিউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমাকে হয়রানির জন্য এ মামলাটি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ কয়েকদিন আগে ইউনিয়ন পরিষদের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দিলে তিনদিন ধরে পরিষদের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। পরে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ইউপি ভবনের মূল ফটকের তালা খুলে পরিষদে ঢোকেন সচিব আশুতোষ হালদার।
আরও পড়ুন: রাজনীতিবিদদের অতিকথন, শব্দ সন্ত্রাস বোমার চেয়ে ভয়ঙ্কর: সেতুমন্ত্রী
/এআর/