মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাত থেকে বিশখালি নদীর ভাঙনে মালামালসহ ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙনে নদী পাড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে লঞ্চঘাটের পন্টুন নদীর মাঝে চলে যায়। এছাড়া নদী তীরে বড় ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয় একটি বাজার ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু স্থাপনা বর্তমানে ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে।
শুধু বাদুরতলা নয় গত এক মাসে বিশখালি নদীর তীরবর্তী বড়ইয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি বসতবাড়িসহ প্রায় পাঁচ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
রাজাপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউনও) শাহ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ভাঙনের বিষয়ে জানান, ভাঙন রোধে জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসি জানায়, এর আগে বিশখালীর অব্যাহত ভাঙনে বাদুরতলা বাজারের ৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া একটি সরকারি ব্যাংক বেশ কয়েকবার স্থানান্তর করা হয়। ভাঙনের মুখে রয়েছে ইউনিয়নের একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি।
গত ৫০ বছরের অব্যাহত ভাঙনে জেলার সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়ন, রাজাপুরের মঠবাড়ি ইউনিয়ন ও বরইয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০টি গ্রামের অধিকাংশ বিষখালি ও সুগন্ধা নদীতে বিলিন হয়ে গেছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্যরা প্রতিবারই ভাঙন রোধে উদ্বেগ জানালেও এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল সিকদার জানান, ‘ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের সহায়তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
/এনএস/