শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে। মুলাদী থানার ওসি মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ফোর্স নিয়ে ট্রলারযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
নিহত রবিউল একই ইউনিয়নের তয়কা-টুমচর গ্রামের বজলুর রহমান হাওলাদারের ছেলে। এসময় শরিফুল ইসলাম, ইব্রাহিম ও ইয়ার হোসেন নামের আরও তিন যুবক গুরুতর আহত হন।
বাটামারা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে সেলিমপুর স্কুলের মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে টুমচর ও সেলিমপুরের যুবকদের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সেলিমপুর বাজারে স্থান নির্ধারণ করা হয়।
এ সময় টুমচর এলাকার লোকজন বন্দরে আসামাত্রই সেলিমপুরের লোকজন তাদের ধাওয়া করে ছুরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই রবিউল হাওলাদার নিহত ও শরিফুল গুরুতর আহত হয়।
ইব্রাহিম ও ইয়ার হোসেনকে মূলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স হাসপাতালে এবং শরিফুল ইসলামকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায় নিহতের লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
/এনএস/