হায়দার আলী বালিয়াতলী ইউনিয়নের আমলকীতলা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আ. কাদের মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, হায়দার আলিশারমোড় বাস কাউন্টার থেকে আমলিকতলায় নিজ বাড়িতে যাওয়ার সময় ছয়-সাতজন দুর্বৃত্ত তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।পরে হায়দার চিৎকার দিলে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.কমলেশ দেবনাথ জানান, রোগীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে।
পরে হায়দারকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে নেওয়ার পরে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
বরগুনা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন সাবু জানান, শ্রমিক নেতা হায়দারকে কুপিয়ে আহত করার পরে তারা তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠায়।পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
হায়দায়কে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় এনে ফাঁসির দাবিও জানান এ শ্রমিক নেতা।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) রিয়াজ হোসেন পিপিএম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছি। একই সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এ হত্যার মূল রহস্যসহ আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
আরও পড়ুন: এমপি রানা কারাগারে
/এআর/