এমএল ঐশী উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮

এমএল ঐশীবরিশালের বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে বুধবার দুপুরে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী নৌযান এমএল ঐশী উদ্ধার করা হয়েছে। লঞ্চের ভেতর থেকে চার শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে বানারীপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন (ওই লঞ্চের যাত্রী) মারা গেছেন। এ নিয়ে লঞ্চডুবির ঘটনা নিহতের সংখ্যা ১৮ জনে পৌঁছেছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন শিকদার ও বানারীপাড়া থানার ওসি জিয়াউল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘নির্ভিক’ ডুবে যাওয়া লঞ্চটিকে পানির ওপর টেনে তোলে। তবে স্থানীয়রা আরও ৫/৭ জন নিখোঁজ থাকার কথা বলায় তাদের ব্যাপারেও সন্ধান চলছে।উদ্ধারকাজ দেখখেন উৎসাহীরা

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের দাসেরহাট মসজিদ বাড়ি পয়েন্টে সন্ধ্যা নদীতে বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ৫০ থেকে ৬০ যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি। রুট পারমিটবিহীন লঞ্চটি ডুবে গেলে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী নিখোঁজ হন। বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ ১৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজদের স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে পড়ে নদী পাড়ের এলাকা। রাতভর তারা ডুবে যাওয়া স্বজনদের লাশ ফিরে পেতে নদীর তীরে অপেক্ষা করেন।স্বজনহারাদের আহাজারি

এর আগে বুধবার সন্ধ্যার পরে নৌ-বাহিনীর ৮ সদস্যের ডুবুরি দল সরঞ্জাম নিয়ে হাজির হয় ঘটনাস্থলে। অন্যদিকে লঞ্চটি উদ্ধারের জন্য ভোর ৪টায় বিআইডব্লিউটিএ-র উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীক ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে যৌথভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নৌ বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌ পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো।

আরও পড়ুন- 

আঞ্চলিক সন্ত্রাস নির্মূলে সরকার সফল: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী
রাজউকের টাকায় ৩৫ জনের বিদেশ সফরের আয়োজন

/এফএস/