ঝালকাঠিতে পরিবহন ধর্মঘটের ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন বরিশাল-ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের যাত্রীরা। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে বরিশাল থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট ও খুলনা রুটের বাস চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে। এ রুটের বাসগুলো ঝালকাঠি জেলার শহরের ওপর দিয়ে যেতে হয়।
ঝালকাঠি আন্তঃজেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর চৌধুরী জানান, গত শনিবার ঝালকাঠি মালিক সমিতির অধীন একটি যাত্রীবাহী বাস (নং ফেনি-জ-০৪০০১১) বরিশাল থেকে পিরোজপুরে যায়। পিরোজপুর জেলা জজ আদালত অতিক্রম করার সময় ওই বাসটি যানজটে পড়ে। বাসের পেছনে সরকারি গাড়িতে জিপে ছিলেন স্থানীয় সাংসদের ভাই পিরোজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক। জিপের সঙ্গে ইজিবাইকের ধাক্কা লাগার জন্য যাত্রীবাহী বাসটিকে দায়ী করে বাসের চালক নান্না সিকদারকে বেদম মারধর করেন উপজেলা চেয়ারম্যান। নান্না সিকদার বর্তমানে গুরুতর আহত হয়ে ঝালকাঠি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যানের বিচার দাবি করে পিরোজপুর প্রশাসনকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিল ঝালকাঠির পরিবহন শ্রমিকরা। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে বিচার না পাওয়ায় সকাল ৬টা থেকে তারা পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছেন।
এ ব্যপারে ঝালকাঠি পুলিশ সুপার সুভাষ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আমরা পিরোজপুর ও ঝালকাঠি বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতিকে বসার জন্য বলেছি। তারা নিজেরা বসে বিষয়টি সুরাহা করবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।’
/এফএস/