জানা যায়, জেলেরা ইলিশ ধরা অবস্থায় শনিবার ভোররাত ৪টার দিকে হাতিয়ার জলদস্যু সম্রাট আলাউদ্দিন বাহিনীর নেতৃত্বে আরও অনেকবারের মতো জেলেদের ওপর হামলা হয়েছে। গুলিতে নিহত ছাড়াও আরও ৬ জেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত কামাল মাঝির লাশ মেঘনায় পাওয়া গেছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ৬ জেলেকে প্রথমে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত ৩ জনকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।
গুলিবিদ্ধ হয়ে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন জেলে রুবেল,নয়ন ও জুয়েল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, প্রতিদিনের মতো মনপুরার কামাল মাঝি ৯ জেলেকে নিয়ে মনপুরার মিয়া জমিরশাহ সংলগ্ন পুর্বপাশের মেঘনা নদীতে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে। জাল টানা শেষ হলে ঘাটে ফেরার আগ মুহূর্তে দেখতে পায় পেছন থেকে একটি ট্রলার তাদের ধাওয়া করছেন।
জলদস্যুদের ধাওয়ায় পালাতে থাকা জেলেরা অবশেষে ঘাটে পৌঁছতে সমর্থ হয়। কিন্তু ট্রলার থেকে এলোপাতাড়ি ছুড়তে থাকা ছররা গুলিতে বিদ্ধ কামাল মাঝি মেঘনায় পড়ে যান। গুরুতর জখম হন আরও ছয় জেলে।
হাতিয়া জোনের কোস্টগার্ড ইনচার্জ লে. কমান্ডার ওমর ফারুক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা জলদস্যুদের হামলার ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে মেঘনায় অভিযান পরিচালনা করি। আমাদের কয়েকটি টিম ইতিমধ্যে মেঘনার বিভিন্ন চরে অভিযান পরিচালনা করছে। জলদস্যুদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এব্যাপারে মনপুরা থানার এসআই মোফাজ্জল হোসেন জানান আমি বিষয়টি শুনে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। গুলিবিদ্ধ জেলেদের খোঁজ খবর নিয়েছি। গুলিবিদ্ধ কামাল মাঝির লাশ মেঘনা থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
/এইচকে/