ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘স্কুলে আসা যাওয়ার পথে আমার মেয়েকে বখাটেরা প্রায়ই পথরোধ করে অশ্লীল ও অশ্লালীন কথাবার্তা বলে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করতো। আমরা প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতো বখাটেরা।’
স্কুলছাত্রীর মা বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে আমরা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে আছি।’
লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে গৌরনদী থানার ওসি মো.আলাউদ্দিন মিলন বলেন, ‘বখাটেদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, উপজেলা সদরের উত্তর বিজয়পুর গ্রামের সাকিব সরদার (১৫), শাহী (১৬) ও উত্তর পালরদী গ্রামের রিফাতসহ ৮/১০ জন বখাটে গত তিন মাস ধরে ওই স্কুলছাত্রীকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। রবিবার সকালে প্রাইভেট পড়ে স্কুলছাত্রীটি বাড়ি ফেরার পথে আল-হেলাল স্কুলের সামনে পৌছলে বখাটে সাকিব সরদার ও ইসমাইল তার পথরোধ করে অশ্লীল কথা বলতে থাকে। এসময় প্রতিবাদ করলে বখাটে সাকিব ওই ছাত্রীর চুল টেনে তার শ্লীলতাহানি করে। ছাত্রীটি তাৎক্ষণিক চিৎকার দিয়ে পায়ের জুতা হাতে নিয়ে বখাটেদের ধাওয়া করলে বখাটেরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী গৌরনদী সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী এস এম মোশারফ হোসেন ও মেরাজ হোসেন খান বলেন, ‘এক স্কুলছাত্রী ধর ধর চিৎকার দিয়ে দুই বখাটেকে ধাওয়া করলে আমরাও স্কুল ছাত্রীর সঙ্গে বখাটেদের ধাওয়া করি। প্রায় কোয়াটার কিলোমিটার ধাওয়া করার পর বখাটেরা গলির মধ্যে ঢুকে পালিয়ে যায়।’
তারা আরও বলেন, ‘স্কুল ছাত্রীটি অসম সাহস নিয়ে বখাটেদের ধাওয়া করে প্রায় ধরে ফেলেছিল। ওই স্কুল ছাত্রীর মত সব মেয়েরা সাহসী হলে সমাজ থেকে বখাটে নির্মূল সহজ হয়ে যেতো।’
/এমডিপি/