এদিকে লুট হওয়া ১১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের কাছ থেকে ৪২ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঘটনার পর এক নারীসহ ছয়জনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় জানিয়েছে পুলিশ। এরা হলেন- মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মঠবাড়ি উপজেলার মিরুখালী গ্রামের মো. তৌহিদুল ইসলাম ও একই গ্রামের সিরাজুল ইসলাম। সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে শান্তা ইসলাম, কাজী রানা, রুবেল হাওলাদার ও মো. সনি নামে চারজনকে।
এদিকে ডাকাতির ঘটনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার শহরের সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ ছিল। এ ঘটনায় বিচার দাবি করে ঝালকাঠি স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারকলিপি দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার বিবরণে জানা যায়, শহরের সাধনারমোড় থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে করে ৭/৮ জন মুখোশধারী ব্যক্তি ডাক্তারপট্টি এলাকার স্থানীয় শাহজাহান হাওলাদারের মুসলিম গিণি হাউজের সামনে অবস্থান নেয়। তারা পরপর আটটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃস্টি করে। পুরো এলাকা বোমার শব্দে আতঙ্কে পাশের অন্য দোকানগুলো বন্ধ করে দেয় মালিকরা। পরে ডাকাতদল মুসলিম গিণি হাউজের মধ্যে প্রবেশ করে মালিক ও কর্মচারীদের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। বাধা দিলে স্বর্ণের দোকানের মধ্যেও একটি বোমার বিস্ফারণ ঘটায় ডাকাতরা। তারা দোকানের ম্যানেজারকে মারধর ও শোকেজ ভাঙচুর করে। ডাকাতদল দ্রুত সময়ের মধ্যে দোকান থেকে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১১৭ ভরি সোনার গহনা লুটে নেয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় গাবখান সেতুর টোলঘর এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এক নারীসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ।
/এআর/