বরিশালে গৌরনদীর সেই বীরাঙ্গনা নুরজাহান বেগম অবশেষে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন।
স্বাধীনতার ৪৫বছর পর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৩৭তম সভায় নুরজাহান বেগমসহ ২৪ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার(দফতর) এনায়েত হোসেন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, দেরিতে হলেও এ স্বীকৃতি প্রযোজনীয় ছিল।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে ৪৪ দিন গৌরনদীর পাক হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে আটক রেখে তখনকার বালিকা বয়সের নুরজাহান বেগমের উপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
দেশ স্বাধীন হওয়ার দুই দিন পরে ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা নুরজাহানসহ ১৪ জন বাঙালি বীরাঙ্গনাকে উদ্ধার করে।
এরপর থেকে তিনি লোকচোখের আড়ালে চলে যান। ২০০৮ সাল হতে তার বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি শুরু হয়।
২০১৪ সালের ২৬ মার্চে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা যুদ্ধে নুরজাহান বেগমের আত্মত্যাগ ও অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করে।
/এইচকে/