ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ডেমা-গুলিশাখালী গ্রামের মো. রুস্তুম হাওলাদার (৫০) ও একই গ্রামের মো. বাবুল মাঝি (৪৫)। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই গ্রামের ফজলু হাওলাদার, মো. খালেক, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. রহিম, মো. বাবুল, কুটি মিয়া, বাদল, মো. হানিফ, মো. বাশার, রিয়াজ গাজী, মো. খোকন ও মো. সেন্টু। একই সঙ্গে আদালত বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কথিত রাসূল মো. হাবিবুর রহমান জমাদ্দারকে সাত বছরের কারদণ্ডাদেশ দেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা থেকে একটি ট্রলারে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায় ১৬ জেলে। এরপর সাগরে থাকাকালীন সময়ে কথিত রাসূল মো. হাবিবুর রহমান জমাদ্দারের মাধ্যমে মৃত মানুষকে জীবিত করা যায়, এ বিশ্বাসে অন্য আসামিদের সহযোগিতায় আয়নাল (২৪) ও ফারুক (৪০) নামের দুই জেলেকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে মো. বাবুল মাঝি ও রুস্তুম হাওলাদার। পরে ট্রলারে থাকা অন্য জেলেদের কাছে এ ঘটনার বর্ণনা শুনে ২০১০ সালের ৬ মার্চ বরগুনা সদর থানায় ১৫ জনকে আসামি করে নিহত আয়নালের বড় ভাই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও বরগুনার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আকতারুজ্জামান বাহাদুর বলেন, ‘সাক্ষী-প্রমানের মাধ্যমে এ মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে।
এ বিষয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কমল কান্তি দাস বলেন, ‘আসামিরা ন্যায় বিচার পাননি। তাই আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।’
/এমডিপি/