আহতদের মধ্যে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম বাদল , এসআই রফিকুল , এসআই শহিদ, পরিবহন শ্রমিক মিজানুর (২৮), রাসেল (২৫) ছালাম (৩৫)- এর নাম জানা গেছে। এদের মধ্যে মিজানুর রহমান, রাসেল ও ইব্রাহিমের অবস্থা গ্ররুতর হওয়ায় তাদের বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদেরকে আমতলী স্বস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকরা আমতলী-কলাপাড়া-তালতলী মহসড়কের খেয়াঘাট ও মানিক ঝুরি নামক স্থানে ত্রিহুইলার যান্ত্রিক যান (মাহেন্দ্র) চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে এবং ১৬টি মাহেন্দ্র ভাঙচুর করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত থ্রিহুইলার শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মীরা বিভিন্ন সড়কে তাদের গাড়ি চলাচল বন্ধ করে আমতলী শহরের বটতলা নামক স্থানে তাদের সমিতির কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকে। সকাল ১০টার দিকে তারা একত্রিত হয়ে চৌরাস্তা মোড়ের দিকে অগ্রসর হলে বিপরীত দিকে অবস্থান করা বাসশ্রমিকদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। এ সময় তারা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।ইটের আঘাতে টহল পুলিশের ভ্যানের কাঁচ ভেঙে যায়। এসময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়।পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম ও বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুরুজ্জামান, আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুশফিকুর রহমান এবং আমতলী-তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আব্দুল ওয়ারেচ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সহিদুল্লাহ জানান, সড়কে প্রতিবন্ধকতা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জরুরি আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া শহরে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
/এআর/