দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষের ঘটনার পর সোয়া ১১ টায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পুলিশের গুলিতে আহতদের মধ্যে দৈনিক ভোরের পাতার স্থানীয় প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মামুন, ব্যবসায়ী সোয়েব, মো. ইব্রাহীম, আবু তাহের, শরিফ, নুরুউদ্দিন, তরিকুল ইসলাম, আরিফ, হারুন, কবির, নাহিদ, হারুন, রাকিব, হোসেন, লিটন ফরাজী, মোসলেহ উদ্দিন, জামাল নুরুউদ্দিন, নুরইসলাম, কুটি মাঝি, আবদুর রহমানের নাম পাওয়া গেছে। অপরদিকে ব্যবসায়িদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- ওসি শাহীন খান, এএসআই প্রদীপ, পুলিশ সদস্য জুনায়েদ, আরিফ, জসিম, আবদুল হালিম, নাইম। তাদেরকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম হাওলাদার জানান, আজ সকাল ৯টার দিকে হাজিরহাট বাজারের ফলের ব্যবসায়ী হারুন, আবদুর রহমান ও হাসানের দোকান উচ্ছেদ ও ব্যবসায়ীদের মারধর করে মনপুরা থানার ওসি শাহীন খান। পরে ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাৎক্ষণিক দোকানপাট বন্ধ রেখে পুলিশের বিরুদ্ধে মিছিল বের করে। এক পর্যায়ে পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর কয়েক রাউন্ড শটগানের গুলি করলে ব্যবসায়ীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।
বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন জানান, বিনা নোটিশে পুলিশ তিন ব্যবসায়ীর ফলের দোকান উচ্ছেদ করার সময় মারধরের ঘটনায় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে মিছিল করে। পরে পুলিশ বিনা উস্কানিতে ব্যবসায়ীদের ওপর বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এতে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী আহত হয়।
মনপুরা থানার ওসি শাহীন খান বাংলা ট্রিবিউন জানান, হাজির হাট বাজারের রাস্তার ওপর অবৈধ ফলের দোকান উঠাতে সেখানে যাওয়া হয়। পরে ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড শটগানের গুলি করা হয়।
/এআর/