ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘সাত খুনের ঘটনার সময় কনস্টেবল হিসেবে হাবিবুর রহমান র্যাব-১১-এর কমান্ডিং লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদের দেহরক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। ৭ খুন মামলা চলাকালেই হাবিবুর রহমান পুনরায় পুলিশ বিভাগে ফিরে এএসআই পদে পদোন্নতি পান। ওই ঘটনায় ফতুল্লা থানায় ২০১৪ সালের ২৮ এপ্রিল একটি মামলা হয় যার নং-৭৪। অন্য মামলাটি দায়ের হয় ২০১৪ সালে ৭ মে, যার নং-১১। দু’টি মামলায় হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৭ বছর ও ১০ বছর মিলিয়ে ২৭ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত।’ তিনি আরও জানান, ‘শুক্রবার সকালে নরিয়া থানার একটি টিম আদালতের সমন নিয়ে হিজলা থানায় আসে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে থানায় এনে বিষয়টি নিশ্চিত হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দণ্ডিত হাবিবুর রহমানকে নরিয়া থানা পুলিশ হিজলা থেকে নিয়ে যায়।
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এসএম আক্তারুজ্জামান জানান, ‘আদালত থেকে সাজা পরোয়ানা নড়িয়া থানায় পাঠানো হয়েছে। ওই পরোয়ানা মূলেই শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।’ দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হয়েও এতদিন পুলিশ বিভাগে চাকরি করার বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ধূর্ত প্রকৃতির লোক। তথ্য গোপন করে তিনি চাকরিতে বহাল ছিলেন।’
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন গত ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায়র রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান।
/এমএনএইচ/