ইউপি নির্বাচন: বরগুনায় বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ

বরগুনাবরগুনার তালতলী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এ হামলায় আহত হয়েছেন ৫ জন। তাদের উদ্ধার করে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের চামুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- মশিউর রহমান লেলিন, আলা আমিন, ছগির, আবুল কালাম আদাজ ও ওমর আবদুল্লাহ শাহিন। এর সবাই বিএনপি প্রার্থীর কর্মী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পথসভা শেষে চামুপাড়া বিএনপি প্রার্থী শাহ আলম মাস্টারের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগ কর্মীরা তার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তার ছেলেসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। এরপর হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আহতদের উদ্ধার করে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করাহয়।
নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খান মো. শাহ আলাম মাস্টারের ছেলে ওমর আবদুল্লাহ শাহীন বলেন, আমরা পথসভা শেষে লোকজন নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জয়ালভাঙ্গা এলাকায় প্রথমে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দুলাল ফরাজীর লোকজন হামলা চালায়। সেখান থেকে আমারা নিরাপদে বাড়ি ফিরি। পরে বাড়িতে বসে লোকজন নিয়ে নির্বাচনি আলোচনা করছিলাম। এ সময় হঠাৎ করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা প্রায় একশ মোটরসাইকেলে করে এসে আমাদের বাড়িতে হামলা করে। কিছু বুঝে ওঠারআগেই আমাদের ৫/৬ জন আহত হয়। এ সময় আত্ম রক্ষার জন্য ফাকা গুলি করলে তারা পিছু হটে মোটরসাইকেলে করে চলে যায়। শাহীন অভিযোগ করে আরও বলেন, বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে আমাদের বসতঘরে হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশকে এ বিষয়ে ফোনে জানানো হলেও তারা আসেনি। পরে বরগুনা পুলশি সুপারের কাছে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী দুলাল ফরাজী বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, আমার লোকজন পথসভা শেষে বাড়িতে ফিরছিল। বাড়ি ফেরার সময় বিএনপি প্রার্থীর বাড়ির সামনে গেলে তাদের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। এতে লোকজন ছুটাছুটি করলে বেশ কয়েকজন আহত হয়।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালাদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমার ঘটনাস্থল পরিদর্শনকরেছি। আমরা কারও কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/এআর/