এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রকাশিত ফলাফলে। গেল বছরের চেয়ে পাশের হার ২ দশমিক ১৭ ভাগ কমে এই সংখ্যা এবার নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ২৪ এ। এদের মধ্যে ২ হাজার ২৮৮ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। গেল বছররের চেয়ে এবারে ১১ হাজার ৯৪৮ জন পরীক্ষার্থী বেশি হলেও জিপিএ-৫ হাজার ৮ ২৫ কমে হয়েছে ২ হাজার ২৮৮।
বৃহস্পতিবার (৪ মে) বেলা ১১টায় বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আনোয়ারুল আজিম বললেন, ‘আগে খাতা দেখার মানদণ্ডে ভিন্নতা ছিল। এবারে তা একই মানদণ্ডে নিয়ে আসায় বিগত বছরের তুলনায় ফলাফলে এই তারতম্য হয়েছে।’
ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়ে প্রশ্নের ব্যাখ্যায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘আগে খাতা দেখার কোনও সাদৃশ্য ছিল না। এক এক পরীক্ষক তাদের মতো করে খাতা দেখতেন ও নম্বর দিতেন। এবারে আমরা তা একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসায় মার্কস দেওয়ার বেলায় বাড়তি-কমতি হয়নি। এই একটি কারণের সঙ্গে আরও যোগ হয়েছে কেরিয়ার শিক্ষা আর শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান নামের দুটি বাড়তি সাবজেক্ট। এই দুটি বাড়তি সাবজেক্টের কারণে অকৃতকার্যের সংখ্যা বেড়েছে বলে উল্লেখ করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
জেলা ভিত্তিক ফলাফলে প্রথমে ঝালকাঠি জেলা যার পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৮ (৩০টি প্রতিষ্ঠানে শত ভাগ উত্তীর্ণ) শতাংশ । এরপর যথাক্রমে বরিশাল পাশের হার ৮০ দশমিক ১৪ (২৮টি প্রতিষ্ঠানে শত ভাগ উত্তীর্ণ) শতাংশ, পিরোজপুর জেলায় পাশের হার ৭৮ দশমিক ৫৯ (১৩ টি প্রতিষ্ঠানে শত ভাগ উত্তীর্ণ) শতাংশ , পটুয়াখালী জেলার গড় পাশ ৭৫ দশমিক ৯৪ ( ৪টি প্রতিষ্ঠানে শত ভাগ উত্তীর্ণ ) শতাংশ , বরগুনা জেলায় এই হার ৭২ দশমিক ২১ (৬টি প্রতিষ্ঠানে শত ভাগ উত্তীর্ণ)শতাংশ আর সবশেষে ৭০ দশমিক ৫৮ ভাগ পরীক্ষার্থী পাস করে (৬টি প্রতিষ্ঠানে শত ভাগ উত্তীর্ণ) ভোলা জেলার অবস্থান।
/এআর/