এ ব্যাপারে কাকচিড়া ই্উনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন পল্টু বলেন,‘মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এ চরটির অর্ধেক পড়েছে আমার ইউনিয়নে। অন্য অংশ আরেক ইউনিয়নে। দুই ইউনিয়নের কয়েকটা গ্রাম আছে চরটিতে। তবে কাকচিড়া ইউনিয়নের মধ্যে চরের প্রায় দুই হাজার মানুষ বাস করে।’ চরের বাকি অংশেও প্রায় সমান সংখ্যক মানুষের বসবাস বলেও জানান তিনি।
একই গ্রামের অভিবাবক মো. শাহীন ও তাসলিমা বেগম বলেন, ‘একসময় স্কুল ছিল না এখন স্কুল হইছে। শিক্ষকরা বেতন পান না। তারপরও তারা আমাদের ছেলেমেয়েদের পড়াচ্ছেন।’ আরও কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেও একই তথ্য জানা যায়। শিশুদের জন্য বই ও উপবৃত্তিসহ সরকারি সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দুলাল বলেন, ‘এখানে এখন সাইক্লোন শেল্টার কাম বিদ্যালয় ভবন নির্মিত হয়েছে। আমরা এ বছরে প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বই পেয়েছি। এছাড়া আর কোনও সুযোগ সুবিধা পাই না। বেতন ছাড়াই বছরের পর ধরে পাঁচ জন শিক্ষক নিয়ে স্কুলটি চালাচ্ছি।’ এসময় স্কুলটি জাতীয়করণের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল মজিদ জানান, কাকচিড়া মাঝের চরে একটি সাইক্লোন শেল্টার কাম বিদ্যালয় থেকে এ বছর শিক্ষার্থীদের জন্য বইয়ের চাহিদাপত্র দিয়েছিল। আমরা চাহিদাপত্র অনুযায়ী বই দিয়েছি। তবে সেখানে আগে থেকে কোন স্কুল ছিল কিনা তা আমার জানা নেই। যদি বিদ্যালয়টি সরকারি নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে জাতীয়করণের জন্য আবেদন করে তাহলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার কথাও জানান তিনি।
/এএইচ/আপ-এআর/