বাঘমারা সেতুর উদ্বোধনভোলা ও পটুয়াখালী জেলার সঙ্গে সংযোগকারী বাঘমারা নদীর ওপর প্রায় দেড় হাজার ফুট দীর্ঘ ভোলাবাসীর স্বপ্নের বাঘমারা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন সেতুটি উদ্বোধন করেন।
এ সময় এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাঘমারা সেতু ভোলা সদরের উত্তর দিঘলদী, দক্ষিণ দিঘলদী, চর সামাইয়া, ভেদুরিয়া ও ভেলুমিয়া ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল বাঘমারা খেয়ার স্থানে বাঘমারা সেতু। ভোলার বাংলাবাজার-বাঘমারা-শরীফখা-ভেলুমিয়া-ব্যাংকেরহাট সড়কটি অপরিপূর্ণ ছিল এই একটি মাত্র সেতুর জন্য। তাছাড়া ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার সঙ্গে সেতুবন্ধনের বাধা ছিল এই বাঘমারা সেতু। এই সেতু পার হয়ে মাত্র এক ঘণ্টায় ভোলা থেকে পটুয়াখালী যাতায়াত করা যায়। ২০১০ সালে ভোলা সদরের সংসদ সদস্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এই সেতু বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। ২০১২ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের বৃহত্তর বরিশাল জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সেতুটি অনুমোদন করা হয়।
বাঘমারা সেতু ভোলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৪৪০ মিটার লম্বা ও ৭ মিটার চওড়া এই প্রি-স্ট্রেচ গার্ডার সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৪২ কোটি টাকা। সেতুর পূর্ব পাশে রয়েছে ১২০ মিটার আর পশ্চিম পাশে রয়েছে ৩৬০ মিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক।
পটুয়াখালীর কালাইয়ার বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম জানান, পটুয়াখালী জেলার অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ ভোলা জেলায় বসবাস ও চাকরি করছে। এই একটি সেতু তাদের যাতায়াতে অন্তত দু’ঘণ্টা সময় বাঁচিয়ে দিয়েছে।
/বিএল/