ভোলার হাটগুলোয় পশুর দাম কমার অপেক্ষায় অনেক ক্রেতা

ভোলায় পশুর হাট

ঈদ-উল আজহার মাত্র দু’দিন বাকি থাকলেও ভোলার পশুহাটগুলোয় কোরবানির পশু বিক্রি বাড়েনি। ক্রেতারা এ হাট থেকে ওই হাটে যাচ্ছেন আর পশুর দাম দেখছেন। কেউ বলছেন পশুর দাম তুলনামূলক বেশি চাচ্ছে বিক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন ক্রেতরা পশুর দাম কম বলছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে বহু ক্রেতা এখনো পশুর দাম কমার অপেক্ষায় রয়েছেন। ভোলা জেলার ৭টি উপজেলায় এবার কোরবানির পশু বিক্রির জন্য ৬৪টি হাট বসেছে। জেলার বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে সেখানে বিক্রির জন্য আনা পশুর সংখ্যা কম নয়। তবে ভোলার হাটগুলোতে বিক্রির জন্য দেশি গরুই আনা হয়েছে। ক্রেতারা তাদের বাজেটের মধ্যে গরু ও ছাগল খুঁজছেন। বিক্রেতারা সাইজ অনুযায়ী গরুর দাম চাচ্ছেন ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। প্রতিটি ছাগল ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। হাটগুলো থেকে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কোনও হাটেই জাল টাকা সনাক্তের মেশিন ও গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনও ব্যবস্থা চোখে পরেনি। অনেক ক্রেতা বলছেন পশুর দাম  গতবারের তুলনায় এবার বেশি ।

ভোলায় পশুর হাট ২

ভোলার পুলিশ সুপার মোকতার হোসেন বলেছেন, ভোলার পশুর হাটগুলোয়  তিন স্তরের নিরাপত্তাসহ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ বসানো হয়েছে। হাটগুলোয়  পোশাকধারী পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। হাটের নিরাপত্তা নিয়ে ক্রেতা, বিক্রেতা ইজারাদার সবাই সন্তুষ্ট বলে তিনি জানান।

আরও পড়তে পারেন: ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যাত্রীবাহি বাস খাদে, আহত ১০