বরিশালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় ১৩ জনের কারাদণ্ড

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার পর ঘাটে বাঁধা ট্রলারের সারি

বরিশালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় ৬ জেলায় ১৩ জনের কারাদণ্ড হয়েছে। এছাড়াও ৯টি মামলা ও ৬০ হাজার টাকা জরিমানাসহ চারটি নৌকা আটক করা হয়েছে। বরিশাল বিভাগীয় মৎস অধিদফতরের সিনিয়ার সহকারী পরিচালক আজিজুল হক সোমবার বিকালে এ তথ্য জানান ।

বিভাগের ৬ জেলা ও  উপজেলা পর্যায়ের মৎস কর্মকর্তাদের পাঠানো  তথ্য অনুযায়ী রবিবার সকাল ১০টা থেকে সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের পটুয়াখালি, ভোলা ও বরগুনা থেকে আটক করা হয়েছে। পটুয়াখালির থেকে আটক একজনকে ১৫দিন, ভোলার থেকে আটক চারজনকে দুই বছর করে এবং বরগুনারে আটক আটজনকে দুই বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (হিলসা) বিমল চন্দ্র দাস বলেন,‘জেলার বিভিন্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৭ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। তবে সেখান থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’

অপরদিকে গৌরনদীতে ১০ কেজি ইলিশসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে তিন হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অন্যদিকে মাছ ধরায় নিশেধাজ্ঞা চলাকালিন সময় ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তার বিষয়েও দেখা দিয়েছে অস্পষ্টতা।

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার পর মাছ শূন্য আড়ত

বিভাগীয় মৎস অধিদফতর সূত্রে বলা হয়েছে তারা তিন লাখ মৎসজীবীর তালিকা পাঠিয়েছেন, এখনো কোনও জবাব পাননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানান, এবারে চাল সংকটের কারণে জেলেদের পরিবার প্রতি ২০ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়ার সম্ভবনা কম। আর্থিক সহায়তাও পাওয়া যাবে বলেও মনে হয় না।

এ ব্যাপারে মৎসজীবী নেতা ইসরাইল পণ্ডিত বলেন, ‘মাছ ধরা বন্ধের আগেই সহায়তার ব্যবস্থা হওয়া প্রয়োজন। এভাবে অনিয়ম হলে ভবিষ্যতে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে জেলেদের সহায়তা পাওয়া দুষ্কর হবে।

আরও পড়তে পারেন: শরীয়তপুরে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ