জব্দকৃত জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আর উদ্ধার করা ১৫ কেজি ইলিশ এতিম ও দুঃস্থদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। আটককৃতদের জেলে পাঠিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল জেলা মৎস (ইলিশ) কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস জানান, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে সকালে নগরী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকার করার অভিযোগে নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ড রূপাতলীর শাহিন হাওলাদার (৩৫) ও সদর উপজেলার চরআইচা গ্রামের হাসান সিকদারকে (২৫) আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট ও সুতাজাল।
পরে দুই জেলেই তাদের অপরাধ স্বীকার করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের দুইজনের এক মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে জব্দ করা ১০ হাজার মিটার জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে বানারীপাড়া উপজেলার চিরাপাড়া সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তিন জেলেকে তিন হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং পাঁচ কেজি ইলিশসহ আটক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান আটক তিন জেলে ফারুক রায়বাসিয়া (৫৭), হেলাল হাওলাদার (২৫) ও এমরান হাওলাদারকে (১৮) এক মাস করে কারাদণ্ড দেন।
আরও পড়ুন- ইলিশ ধরায় ১১ জনের দণ্ড