নিউমার্কেট পাইকারী ও খুচরা চাল ব্যবসায়ী আড়ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিপন ফকির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খাদ্যমন্ত্রী যে চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তা আমরা শুনেছি। লাইসেন্স করাতে হলে যেনব কাগজপত্র লাগে তা প্রস্তুত করছি। বিষয়টা আমরা ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছি।’
ভাই ভাই স্টোরের মালিক মো. মানিক মিয়া বলেন, ‘আমরা সরকারি আইন মেনে নিতে রাজি। আমরা সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই লাইসেন্স নেবো। সরকারের এই নির্দেশনাকে স্বাগত জানাই।’
মেসার্স শৈশব রাইচ’র খুচরা বিক্রেতা শান্তি রঞ্জন খাসকেল বলেন, ‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’
চাল ব্যবসায়ীরা জানান, পটুয়াখালী নিউমার্কেটে আজ বৃহস্পতিবার আটাশ চাল প্রতি বস্তা দুই হাজার ৭৫০ টাকা, মিনিকেট দুই হাজার ৯২৫ টাকা, স্বর্ণা ২১০০ টাকা, আতপ চাল এক হাজার ৯৫০ টাকা (৫০ কেজি এক বস্তা) দরে বিক্রি হয়েছে। চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার আগে প্রতি বস্তা আটাশ চাল দুই হাজার ৫৫০ টাকা, মিনিকেট ২৭০০ টাকা, স্বর্ণা এক হাজার ৯২০ টাকা, আতপ চাল এক হাজার ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, ‘আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স করতে হবে। আমরা চাল ব্যবসায়ীদের মাঝে নোটিশ দেওয়া শুরু করেছি। এ বিষয়ে মাইকিং করা হবে। পটুয়াখালাতে বড় বড় চালের বাজারগুলোর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে বৈঠক করা হবে। যে চাল ব্যবসায়ী লাইসেন্স করবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে গত ২ অক্টোবর খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম চাল আমদানিকারক, মজুতদার, আড়তদার এবং পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের খাদ্য অধিদফতর থেকে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে লাইসেন্স নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া ১৫ দিন পর পর চাল ব্যবসায়ীদের গুদামে মজুত করা চাল ও গমের হিসাব স্থানীয় খাদ্য দফতরকে অবহিত করতেও নির্দেশ দেন তিনি।