কন্যা উৎসবের আয়োজকরা হলেন- জেলা পরিষদ সদস্য শারমীন মৌসুমী কেকা, সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, পৌর কাউন্সিলর নাসিমা কামাল, প্রধান শিক্ষকা আফরিন জাহান ও শিমুল সুলতানা হ্যাপি। ঝালকাঠির কন্যাদের প্রাণের উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী এবং ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ও বিদেশ থেকেও অনেকে আসেন ঝালকাঠিতে।
কন্যা উৎসবের প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘ধর্মের দোহাই দিয়ে একটি গোষ্ঠি নারীদের পিছিয়ে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নারীদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে আর নারীদের পিছিয়ে রাখা যাবে না। দেশকে সামনে নিয়ে যেতে হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও অবদান রাখতে হবে।
কন্যা উৎসবের আহ্বায়ক জেলা পরিষদ সদস্য শারমীন মৌসুমী কেকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, পুলিশ সুপার মো. জোবায়দুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির ও পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার।
সভাপতি বক্তব্যে কন্যা উৎসবের আহ্বায়ক শারমীন মৌসুমী কেকা বলেন, ‘কন্যা উৎসব আমাদের একটি স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। একটি গোষ্ঠি ষড়যন্ত্র করে আমাদের উৎসবকে বানচাল করতে চেয়েছিল। তারপরও আমরা সফল হয়েছি। কোনও ষড়যন্ত্রই আমাদের রুখতে পারেনি। এ উৎসব ঝালকাঠিতে প্রতিবছরই করা হবে।’
অতিথিদের আলোচনা পর্ব শেষে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পেশায় কর্মরত নারীদের, রত্নগর্ভা মায়েদের এবং সম্ভাবনাময়ী মায়েদের ক্রেস্ট ও সম্মাননা দেওয়া হয়। পরে রাতে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।