বরিশাল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দফতরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বরিশাল জেলার আওতাধীন ১০টি উপজেলার মোট ৮৫টি ইউনিয়নে এক লাখ ৬০ হাজার ৩৯৬ জন উপকারভোগীর মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১০ টাকায় চাল বিক্রি করা হবে। ডিলাররা চাল সাড়ে ৮ টাকা দরে সংগ্রহ করেবন।
৮৫টি ইউনিয়নে মোট ২৮৫ জন ডিলারের মাধ্যমে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ডপ্রাপ্ত উপকারভোগীরা ৩০ কেজি করে দুই মাসে (মার্চ ও এপ্রিল) ৬০ কেজি চাল কিনতে পারবেন।
এ বছরে জেলার উপকারভোগীদের মধ্যে ১৫ হাজার ৮৩৪ মেট্রিক টন চাল বিক্রি করা হবে।
বরিশাল জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মশিউর রহমান বলেন, এ চাল বিক্রি রবিবার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিয়োগপ্রাপ্ত ডিলাররা এখনও টাকা জমা না দেওয়ায় বরিশালে তা পেতে একটু বিলম্ব হচ্ছে। তবে মার্চ মাসের চাল মার্চ মাসের মধ্যেই উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আরও বলেন, এ ব্যাপারে চিঠি পাওয়ার পরপরই ’খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ২০১৮’র সার্বিক বিষয় নিয়ে জেলার ১০ উপজেলার ডিলারদের জানানো হয়েছে। তবে রবিবার দুপুর পর্যন্ত কোনও ডিলার টাকা জমা না দেওয়ায় কাউকেই এখনও চাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল মজুদ রয়েছে। ডিলাররা টাকা জমা দিলেই ১০ টাকার চাল ভোক্তা বা উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাবে।
অপরদিকে ২/১ দিনের মধ্যে খোলা বাজারে ওএমএস’র চালও বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মশিউর রহমান।
তিনি বলেন, ‘নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা ও বাজার দর স্থিতিশীল রাখার জন্য ওএমএস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।’
এবারে বরিশালে শুধুমাত্র মহানগর এলাকায় ২১ জন ডিলারের মাধ্যমে ভোক্তা-প্রতি সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে ওএমএস এর চাল খোলা বাজারে বিক্রি করা হবে। এ চালের কেজি প্রতি দর নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। ২৮ টাকা ৫০ পয়সার মূল্যে ডিলাররা তা সংগ্রহ করবেন।
তবে জেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, ডিলাররা এখনও চালের টাকা জমা না দেওয়ায় এ কার্যক্রম শুরু হতে আরও ২/১ দিন বিলম্ব হতে পারে। বিক্রির সময়সীমা বেধে দেওয়া না হলেও ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে চালের বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।’