নৌ-পুলিশের হিজলা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই উত্তম কুমার দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাল্কহেডটি যে স্থানে ডুবেছে, সে স্থানটি শনাক্ত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় কেউ নিখোঁজ বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বাল্কহেডের চালক সুজন মাঝি জানান, বরিশাল থেকে ২ হাজার ৭০৪ ব্যাগ এ্যাংকর সিমেন্ট বোঝাই করে তারা পাবনার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে শনিবার সকাল ৮টার দিকে আকস্মিক ঝড়ে তাদের বাল্কহেডটি নদীতে ডুবে যায়। এ সময় বাল্কহেডে থাকা চার জনই সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়।
তিনি বলেন, বাল্কহেডটি উদ্ধার ও থানা পুলিশকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো জন্য মালিক মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি থেকে হিজলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
বাল্কহেডটি উদ্ধারে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাল্কহেডের মালিক জলিল মাঝি।