সোমবার (১১ জুন) বিকালে খসরুকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৬(২) ধারায় আটক দেখিয়ে মেট্রপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আহমেদ তাকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে শারীরিকভাবে তিনি অসুস্থ থাকায় আদালত তাকে কারা কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে চিকিৎসা করার আদেশ দিয়েছেন।
মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খসরু দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। গত কয়েক বছর ধরে দলীয় কোনও কর্মকাণ্ডে তাকে মাঠে দেখা যায়নি। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ আওলাদ সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে খসরুকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করলেও এ ব্যাপারে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের কোতোয়ালি থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবী ও যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ ছাত্রদলের ২৭ জনকে নামধরা আসামি এবং আরও ৬০/ ৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামরা দায়ের করেন ( নং ৬৮৫/১৭,তাং ১৪-১০-২০১৭)। এ মামলার কোথাও খসরুর নাম না থাকলেও কোতোয়ালি থানার এসআই মশিউর রহমান সেই মামলায় আসামি দেখিয়ে খসরুকে সোমবার আদালতে সোপর্দ করেন।
এদিকে খসরুকে আটক করার বিষয়ে এলাকা ও পরিবার সূত্র থেকে জানা যায়, হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক মালিক রাজিউর রহমান ফয়সালের সঙ্গে হোটেলের পাশে থাকা জমি নিয়ে খসরুদের বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জের ধরে ফয়সাল পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করার জন্য রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করায়।
তাই খসরুকে আদালতে তোলা হলে তার জামিন চেয়ে বিচারকের কাছে প্রার্থনা করেন বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. ওবায়দুল্লাহ সাজু, সাবেক সভাপতি অ্যাড. আনিস উদ্দিন শহীদ, অ্যাড.মজিবর রহমান, অ্যাড. এনায়েত হোসেন বাচ্চু, এ্যাড.নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না ও অ্যাড.সরোয়ার হোসেনসহ প্রায় অর্ধশতাধিক আইনজীবী।