বিসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান তালুকদার এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভা শেষে সরওয়ার বলেন, ‘তিনটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় পুলিশ বেছে বেছে আমাদের ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করছে। নির্বাচনের দায়িত্বে যারা থাকবেন তারাই যদি গ্রেফতার হয় তবে নির্বাচন করবে কে? অথচ হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে নট টু হ্যারেজ, নট টু অ্যারেস্ট। প্রশাসন হাইকোর্টের আদেশ মানছে না, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কীভাবে?’
বিএনপির নেতাকর্মী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) থেকে শুক্রবার (২৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত বিএনপির ১৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার এবং বেশ কিছু নেতাকর্মীর বাসায় তল্লাশি চালানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদিক বলেছেন, ‘ভোটারদের প্রতি আমার একটাই অনুরোধ, আপনারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। সব প্রার্থীই চায় জয়ী হতে। তবে কে জয়ী হবেন সে রায় জনগণই দেবেন।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে অবশ্যই অভিযোগ থাকবে। তবে শঙ্কা থাকার মতো কোনও ঘটনা বরিশালে ঘটেনি। বরিশালের পরিবেশ সুষ্ঠু রয়েছে। বরিশালের নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনও মারামারি-কাটাকাটি নেই। তারপরও যারা শঙ্কার কথা বলছেন তারা যদি বলার জন্য বলি, যেহেতু এটা প্রশাসনের বিষয়, তাই তারাই এর উত্তর দেবে।’
এ সময় বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরওয়ার এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছাড়াও জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলনের ওয়াইদুর রহমান মাহবুব, বাসদের ডা. মনীষা চক্রবর্তী, সিপিবির আবুল কালাম আজাদসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।