সিটি নির্বাচন শেষ হলেও নগরীর অধিকাংশ জায়গায় অসংখ্য পোস্টার টানানো ছিল। পলিথিনে মোড়া এই পোস্টারগুলো দ্রুত অপসারণ না করলে নগরীর ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়তো।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জান বলেন, ‘নির্বাচন শেষ হয়েছে চারদিন হল। এখনও নগরীতে নির্বাচনের আমেজ রয়েছে। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দ্রুত এই পোস্টার অপসারণ করতে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ হবে।’
নগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়া বলেন, নির্বাচন শেষ হলেও প্রতিটি রাস্তায় ঝুলছে পোস্টার। কখনও বৃষ্টিতে ভিজে পোস্টার গুলো ছিড়ে রাস্তায় পড়ে যায়। নির্বাচনি প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত এই পোস্টারগুলোর সঙ্গে স্বচ্ছ পলিথিন রয়েছে। এর ফলে এই পলিথিন ড্রেনে চলে গেলে ড্রেন ব্লক হয়ে যাবে। পানি চলাচলে ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রার্থীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা শুধু সিটি করপোরেশনের ওপর নির্ভর না করে তাদের লোকজন নিয়ে ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে বিভক্ত হয়ে অপসারণ কাজ করে যাচ্ছেন। আর এই পোস্টার অপসারণ করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এই বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা বলেন, ‘পোস্টারগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। অনেকেই ইলেকট্রিক লাইনের ওপর পোস্টার লাগিয়েছে, সেগুলো খুবই বিপজ্জনক। এগুলো সরাতে আমাদের সময় লাগছে। তবে যেসব জায়গায় রশি দিয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে, সেগুলো আমরা অপসারণ করতে দ্রুতই সক্ষম হবো।’
তিনি আরও বলেন, প্রথমত নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোর পোস্টার অপসারণ করা হবে। এরপরে অন্যান্য ওয়ার্ডের বাকি পোস্টারগুলো সরিয়ে ফেলবে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা।
তবে শনিবার থেকে আরও কিছু কর্মী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা।