কারাগারে পাঠানো দুজন হলেন- বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া এলাকার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সুবেদার আব্দুল লতিফ গাজী এবং তার মেয়ে নারী কনস্টেবল মিল্কি আক্তার।
বরিশাল কোতোয়ালি থানার এসআই খোকন বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ দিয়ে ২০১০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নারী কনস্টেবল মিল্কি আক্তার চাকরি পান। তিনি ৬ মাসের ট্রেনিং শেষ করে বরিশাল পুলিশে যোগদান করেন। গত আট বছর ধরে মিল্কি কনস্টেবল পদে চাকরিতে ছিলেন। পরে মিল্কির বাবা আব্দুল লতিফ গাজীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাছাই শেষে জানা যায় সনদটি জাল। এ ঘটনায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে রিজার্ভ পুলিশের এসআই কবির হোসেন ২০১৮ সালের ৩০ মে বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় সোমবার আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের প্রার্থনা করলে তাদের উভয়কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।’