স্থানীয়রা জানান, রুমির মৃত্যুর খবর পেয়ে শেরে বাংলা ফজলুল হক ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা নবগ্রাম-বরিশাল সড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন। এতে সড়কের দুপাশে বেশ কিছু গাড়ি আটকা পড়ে। খবর পেয়ে বিনয়কাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম এসে চালকের বিচার ও কলেজের সামনে গতিরোধক নির্মাণের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শান্ত হন।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষুব্ধ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন– কলেজের অধ্যক্ষ নিজাম হায়দার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী উর্মি আক্তার ও সুফিয়ান সরদার। বক্তারা টমটম চালক সৌরভ কুমারের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
গত শনিবার সকালে বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টমটম রুমি আক্তারকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে বরিশালের বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়। নিহত রুমি আক্তার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের বাহেরদিয়া গ্রামের মকবুল হাওলাদারের মেয়ে।