দুই মাস পর বিসিসি’র নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা, মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

দুই মাস পর বিসিসি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে

দুই মাস ২ দিন পর বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কাছে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭৭৬ ভোট। এ ছাড়া কাউন্সিলর পদে ২৪ জন, ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭ প্রার্থীকে একই সঙ্গে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

বরিশালে ১২৩ কেন্দ্রের মধ্যে মোট ৯টি কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে ফলাফল বাতিল ঘোষণা করা হয়। বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার মো. মুজিবুর রহমান জানান, ওই ৯ কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে। কেন্দ্রেগুলো হলো ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আলেকান্দা ফারিয়া কমিউনিটি সেন্টার (পুরুষ), ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের আগরপুর রোডের সরকারি মহিলা কলেজ (মহিলা) ও সদর রোডের সিটি কলেজ (পুরুষ), ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সিঅ্যান্ডবি রোডের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (পুরুষ) ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (মহিলা), ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমাথা আরএম  সাগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (পুরুষ), ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রূপতলী হাউজিং শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (পুরুষ), ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী জাগুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দা মজিদুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র।

 কেন্দ্রগুলোতে কবে ভোট নেওয়া হবে তা এখনো সুনির্দিষ্ট হয়নি। তবে আগামী ১৩ অক্টোবর একটি সম্ভাব্য তারিখের কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,গত ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নানা অনিয়মের অভিযোগের কারণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে নির্বাচন কমিশন। তদন্ত শেষে গত ১ অক্টোবর ২০১৮ রিপোর্ট পেশ করা হয়। নির্বাচনের দুই মাস ৩ দিনের মাথায় এই ফলাফল ঘোষণা করা হলো।

সাধারণ আসনে বিজয়ী হয়েছেন, ২নং ওয়ার্ডে মর্ত্তুজা আবেদীন, ৩নং ওয়ার্ডে হাবিবুর রহমান, ৪ নং- তৌহিদুল ইসলাম, ৫নং- কেফায়েত কবির, ৬নং- খান মো. জামাল, ৭নং-  রফিকুল ইসলাম, ৮নং- সেলিম হাওলাদার, ৯নং- হারুন অর রশিদ, ১০নং শহিদুল্লাহ,  ১১নং মজিবর রহমান, ১২নং জাকির হোসেন, ১৩নং মেহেদি পারভেজ খান, ১৫নং লিয়াকত হোসেন, ১৬নং মোশারফ আলী, ১৮নং জাহাঙ্গীর কবির, ১৯নং গাজী নাঈমুল ইসলাম লিটু, ২০নং জিয়া উর রহমান, ২১নং শেখ সাঈদ আহমেদ, ২৫নং সাইদুর রহমান জাকির, ২৬নং হুমায়ূন কবির, ২৭নং নূরুল ইসলাম, ২৮নং জাহাঙ্গীর হোসেন, ২৯নং ফরিদ হোসেন, ৩০নং ওয়ার্ডে শাহাদাত হোসেন মোল্লা কালাম। এ ছাড়া সংরক্ষিত আসনে ১নং ওয়ার্ডে নিলু রহমান, ২নং- জাহানার বেগম, ৩নং- কহিনূর বেগম, ৪নং আয়শা তৌহিদা লুনা, ৭নং সালমা আক্তার শিলা, ৮নং রেশমি বেগম, ১০নং রশিদা পারভিন।