সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন ইন্দুরকানী কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ইন্দুরকানী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আ. লতিফ হাওলাদার। এসময় কলেজ ম্যানেজিং কমিটির কমিটির সদস্য মো. মনিরুজ্জামান, কলেজ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইকরামুল কবীর মজনু উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে লতিফ হাওলাদার জানান, কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান সিকদার ২০০৬ সালে সাবেক জিয়ানগর বর্তমান ইন্দুরকানী কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। সে সময়ে তিনি জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার মজিদা বেগম মজিদা মহিলা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আগের কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র না নিয়েই তিনি ইন্দরকানী কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদেন।
মানবতাবিরোধী মামলায় দণ্ডিত জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নিকট আত্মীয় হিসেবে পরিচিত মনিরুজ্জামান সিকদার ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পিরোজপুরের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের আর্শীবাদে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হন এবং উপাধ্যক্ষ থেকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পান।
মনিরুজ্জামান সিকদার অধ্যক্ষ পদে যোগদান করে তিনি বিভিন্ন সময়ে কলেজে উৎকোচ গ্রহণ করে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া কলেজের আয়ের টাকাও আত্মসাৎ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় অধ্যক্ষের নানা অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়টি দুদকসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরে কলেজটি সরকারি করা হয়।