আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রোধ করতেই এই কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু বরগুনায় নয়, বেশ কয়েকটি আসনেই এভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার পত্রেও স্বাক্ষর রাখা হয়েছে। যাতে করে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে চুড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা সম্ভব হয়।’
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়টি শম্ভু ও জাহাঙ্গীর দু’জনেই নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মনোনয়ন দেওয়ার চিঠি ফেসবুকে ভাইরাল করছেন দু’জনের কর্মী সমর্থকরা।
জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বর্তমান এমপির কোনও জনসমর্থন নেই তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। তবে বর্তমান এমপিকেও কেন একই আসনের মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি কোনও সদোত্তর দিতে পারেননি।’
এ বিষয়ে কথা বলতে শম্ভুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, বরগুনা এক আসনের সংসদ সদস্য শম্ভুর ওপর অনাস্থা জানিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে দলের একটি অংশ তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও তাকে মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ করেন। এরপর থেকেই দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে রূপ নেয়।