এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বরগুনা প্রেসক্লাবে জরুরি সভা করে বরগুনা জেলা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম। ফোরামের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. সালেহ লিখিতভাবে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এএসআই রিপনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।
লাঞ্ছনার শিকার সাংবাদিক মালেক মিঠু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯টার দিকে আমি সংবাদ সংগ্রহের জন্য বরগুনা জিলা স্কুলে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে যাই। এসময় এক পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে গেটের ভিতরে ঢুকতে দিলেও হঠাৎ করে ডিবির সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. রিপন মিয়া কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেয়। কেন, কী কারণে বাধা দেওয়া হচ্ছে তা জানতে চাইলে, উনি আমাকে সবার সমনে লাঞ্ছিত করেন।’
মিঠু আরও বলেন, ‘বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিকভাবে বরগুনা সদর থানা ও সাংবাদিকদের জানালে ঘটনাস্থলে বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত মো. রফিকুল ইসলাম আসেন। এসময় তাদের সামনেই আবারও আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।’
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. তোফায়েল আহম্মেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে রিপনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এসময় তিনি সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।