সাংবাদিক মিজানুর রহমান টিপুর অভিযোগ, রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় বামনা উপজেলা শহরের সদর রোডে তার ওপর এ হামলা চালানো হয়। তিনি প্রথমে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থার অবনতি দেখে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠান।
ডা. হাসান জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাংবাদিক টিপুর নাক ও চোখের আঘাতের কারণে তাকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
টিপু দৈনিক আমাদের সময়’র বামনা প্রতিনিধি ও দৈনিক মানবজমিন’র বরগুনা প্রতিনিধি।
ছাত্রলীগ নেতা হেমায়েত বামনা উপজেলার পূর্ব সফিপুর গ্রামের মৃত আ. রহিম মোল্লার ছেলে।
বামনা থানার ওসি জিএম শাহ-নেওয়াজ বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সাংবাদিক টিপু অভিযোগ করেন, ‘রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে হেমায়েত হোসেন মোল্লা আমাকে ফোন করে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে যেতে বলেন। সেখানে গেলে আচমকা আমার ওপর হামলা চালিয়ে কিল-ঘুষি মারে। একপর্যায়ে আমাকে বাজারের সড়কে ফেলে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটায়। ব্যবসায়ী মো. শাহিন আকন তাকে বাধা দিলে তাকেও আহত করা হয়।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের আদনান অনিক ও হেমায়েত হোসেন মোল্লার মোবাইল ফোনে কল করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বামনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ওবায়দুল কবির আকন্দ দুলাল জানান, এভাবে চলতে থাকলে সাংবাদিকরা কখনও সত্য সংবাদ প্রকাশ করতে পারবে না। এ ঘটনায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বামনা সাংবাদিকরা কঠোর কর্মসূচি দেবে।