সোমবার (৪ মার্চ) এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থক সাত নেতাকর্মী আহত হন। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ অফিস ভাঙচুর করা হয়।
বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য রিয়াজ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা সোমবার দুপুরে মনোনয়নপত্র দাখিল করে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে বের হয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে যাওয়ার পথে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আমার ব্যাবসায়ীক অফিসে হামলা করে। এসময় অফিসে থাকা নেতাকর্মীদের মারধর করে এবং অফিসের আসবাবপত্র ও অফিসের সামনে রাখা ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। হামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান সিফাত, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মুর্তজা, সবুজ খান, শুভ রহমান, মামুন ইসলাম,সাদ্দাম, রনি আহত হয়।
এ বিষয়ে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবলীগ সভাপতি শাকিল আহম্মেদ নওরোজ পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচন অফিস থেকে বের হওয়ার সময় আমাদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় বিদ্রোহী প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিনের সমর্থকরা। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার, যুবলীগকর্মী রিয়াদ আহত হন।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আর শওকত আনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘এ হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইন গত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।’