জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে জানান, সব প্রস্তুতি সম্পন্নের দিকে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের দফায়-দফায় সভা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠানের জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। মণ্ডপের তথ্য সরবরাহের জন্য জেলা সদরের দুটিসহ প্রতি উপজেলায় একটি করে মোট ১০টি কন্ট্রোল রুম (তথ্য সেল) খোলা থাকবে। এছাড়াও প্রশাসনের পাশাপাশি পূজা উদযাপন পরিষদের নির্দেশে প্রতিটি মণ্ডপে ১০ সদস্যের স্বেচ্ছাসেবক দল মোতায়েন থাকবে।
ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার জানান, তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ ও আনসার মোতায়েন থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও পুলিশ ও র্যাবের মোবাইল টিম টহলে থাকবে।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলার সাতটি উপজেলায় ১০৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরমধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ২৫টি, দৌলতখান উপজেলায় ৬টি, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২০টি, তজুমদ্দিন উপজেলায় ১২টি, লালমোহন উপজেলায় ১৭টি, চরফ্যাশন উপজেলায় ১৭টি ও মনপুরা উপজেলায় ১০টি।