মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, চরফ্যাশনের দক্ষিণ আইচায় বাবার বাড়ি থেকে বেতুয়া লঞ্চঘাট হয়ে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় স্পিডবোটে ওই গৃহবধূ মনপুরায় শ্বশুরবাড়ি ফিরছিলেন। পথে বোটে থাকা যাত্রী দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের বেলাল পাটোয়ারী (৩৫), রাসেদ পালোয়ান (২৫), শাহীন খান (২২) ও কিরণ (২৬) জোর করে বোটটি পাশের নির্জন চর পিয়াল এলাকায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তারা।
ওসি আরও জানান, পরে বোটের মালিক ও ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নজরুল ইসলাম (৩০) আরেকটি স্পিডবোট নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। ওই সময় সে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা চার যাত্রীকে মারধর করে তাদের কাছে থাকা তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর নজরুল নিজে ওই গৃহবধূকে আবার চরের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। নজরুল ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে এবং বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেয়।
ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, এ ঘটনায় শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে নজরুল, বেলাল, রাসেদ, শাহীন, রিয়াজ ও কিরণকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রথিন্দ্রনাথ রায় জানান, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা রবিবার রাতেই সম্পন্ন হয়েছে। ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফারজানা বেগম ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা করেন। আজ সোমবার এই রিপোর্ট ভোলার পুলিশ সুপারের কাছে অফিসিয়ালি পাঠানো হবে।