ভৈরবপাশার এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, “মুসল্লিরা মফিজ উদ্দিনকে ম্যুরাল নির্মাণ না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে তিনি এই আহ্বানে কান না দিয়ে নিজের খেয়ালমতো সরকারি কিছু অনুদান নিয়ে এবং নিজ উদ্যেগে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ নাম দিয়ে ম্যুরাল তৈরি করেন।’ তবে রাতের আঁধারে ম্যুরাল ভাঙাকে তিনি অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ বলে অভিহিত করেন। এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতারের দাবিও জানান ইউপি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহম্মেদ।
মুক্তিযোদ্ধা মফিজের ছেলে মাসুম হাওলাদার বলেন, ‘রাতের আঁধারে কে বা কারা ভেঙেছে জানি না। তবে যারা এ কাজ করেছে, তাদের বিচার দাবি করছি।’
ঝালকাঠি সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুর রশিদ বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা মফিজের উদ্দেশ্য ছিল মহৎ। কিন্তু তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারদের না জানিয়ে করায় তাদের ক্ষোভ ছিল। ম্যুরালগুলো সঠিকভাবে তৈরি করা না হলেও ম্যুরালগুলো ভাঙা ঠিক হয়নি।’
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ওই বাজারের নৈশপ্রহরীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সে কিছু বলতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধা মফিজের ছেলে মাসুম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’