পরীক্ষার যন্ত্রপাতি নেই, তারপরও মিলছে রিপোর্ট!

ভ্রাম্যমান আদালতের হাতে আটক দুজনডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি নেই। তারপরও বিভিন্ন পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। এজন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ভুয়া টেকনিশিয়ান মো. সুজনকে আটক করে। এছাড়া আটক করা হয় ভুয়া ডেন্টাল চিকিৎসক শামীম হোসেনকে। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় কালিগঞ্জ বাজার এলাকার শাহানারা ডেন্টাল ক্লিনিক সিলগালা করে দেওয়া হয়। আটক দু’জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানে পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম এবং বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিক্যাল অফিসার ফজলে রাব্বির সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের সহায়তা করেন র‌্যাব-৮। ভুয়া চিকিৎসক শামীম হোসেন ও অসাধু টেকনিশিয়ান সুজনকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব-৮ সদর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাকেরগঞ্জে একজন ভুয়া ডেন্টিস্ট প্রতারণার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছে এবং বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা যন্ত্রপাতি না থাকার পরও বিভিন্ন পরীক্ষা সম্পন্ন করে রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। সোর্সের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর কালিগঞ্জ বাজারে শাহানারা ডেন্টাল ক্লিনিক থেকে ভুয়া চিকিৎসক শামীম আহম্মদকে আটক করা হয় এবং বাকেরগঞ্জ সদর রোড এলাকায় পলি ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে সুজনকে আটক করা হয়।

ডেন্টাল ক্লিনিকের যথাযথ পরিবেশ বজায় না রাখা ও একই যন্ত্রপাতি কয়েকবার ব্যবহার করার দায়ে শামীম আহম্মেদ এবং ভুয়া রিপোর্ট করার জন্য টেকনিশিয়ান সুজনকে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যথাযথ লাইসেন্স না থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত শাহানারা ডেন্টাল ক্লিনিকটি সিলগালা করেন।