সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক হরিদাস শিকারী, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. সেলিম, বীজ বিতরণ কর্মকর্তা আকতার হোসেন প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃষি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও জাতীয় বাজেট দিন দিন কমছে। কিন্তু ধানসহ অন্যান্য কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে। তারপরও দেশে কৃষি খাত সংকটের মুখে পড়ছে। এখনও কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্যে নিশ্চিত করতে কোনও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হয়নি। এ কারণে ন্যায্য দাম না পেয়ে রাস্তায় আলু, টমেটো, দুধ, ডিম, রসুন ফেলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় রাষ্ট্রকে কৃষকের সব পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রান্তজন’র নির্বাহী পরিচালক এস. এম শাহজাদা। প্রবন্ধে বলা হয়, কৃষিকাজে কমছে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ। কৃষি শ্রমিকের সংখ্যাও হ্রাস পাচ্ছে। পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং উৎপাদনে জড়িত মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়া, সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। এ সংকট সমাধানে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ১৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—দেশের সব কৃষকের কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাব নিশ্চিত করা, অকৃষি খাতে কৃষি জমি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, দেশের প্রত্যেক ইউনিয়নে ধানসহ কৃষিপণ্য মজুতকরণে ব্যবস্থা, কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ফঁড়িয়া, মহাজন, দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীদের খবরদারি বন্ধ করা প্রভৃতি।