সালিশের রায় বিপক্ষে যাওয়ায় ৭ জনকে কুপিয়েছে প্রতিপক্ষ

হাসপাতালে ভর্তি আহতরাসালিশের রায় বিপক্ষে যাওয়ায় নারীসহ ৭ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুর ইউনিয়নের রামপট্টি গ্রামের বড় ঢালি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত ৫ জনকে শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মেম্বর সাদেক খান বলেন, রাস্তা নির্মাণ নিয়ে কাঞ্চন ঢালি ও সিদ্দিক ঢালিগংদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সিদ্দিক ঢালি তার বসতঘরের উত্তর-পূর্ব পাশ দিয়ে ৬ ফুট প্রস্থের ওই রাস্তা দিতে চাইলেও কাঞ্চন ঢালি জোরপূর্বক সিদ্দিকের উঠান এবং পরিত্যক্ত বসতঘরের ওপর দিয়ে ওই রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে কাঞ্চন ঢালি প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে তার দলবল নিয়ে গত সপ্তাহে সিদ্দিক ঢালির বসতঘরসহ তার পরিবারের সদস্যদের ৫টি বসতঘরের সামনে টিন ও বাঁশের বেড়া তুলে দিয়ে অবরুদ্ধ করেন। এ ঘটনার মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে সালিশ ডাকা হলে উভয়পক্ষের সম্মতিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাদেক খানসহ ৭ জন সালিশদার মনোনীত হয়। সালিশদাররা উভয়পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ নিয়ে শনিবার সকালে তাদের রায়ের রোয়েদাদনামা দেন। রায়ে হেরে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে কাঞ্চন ঢালি, জসিম ঢালি, কামাল ঢালি ও রাসেল ঢালি নেতৃত্বে ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা ৭ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে।

এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় সোহাগ ঢালি বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ করেছেন। কাঞ্চন ঢালি ও তার সহযোগীরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাহিদ বিন আলম জানান, এ ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া করা হচ্ছে।