শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টায় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বরিশাল র্যাব-এর সহকারী পরিচালক এএসপি মুকুর চাকমা জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত জিসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে ঘটনার দিন রাতেই ঘাতক রাব্বীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী মুন্নি বেগম বাদী হয়ে আটককৃত দুই জনসহ মোট চার জনকে আসামি করে মামলা করেন। আটককৃতদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী ও মামলার বাদী জানান, তার স্বামী মামুন বিভিন্নস্থান থেকে গাছ কিনে কেটে বিক্রি করেন। ঘটনাস্থলের পাশেই একটি গাছ কিনে কাটাতে শুরু করলে ঘাতক রাব্বী ও তার সহযোগী জিসান, লিমনসহ পাঁচ থেকে সাত জন চাঁদা দাবি করে। গাছ কাটা শেষে বাড়ি ফেরারা পথে রাব্বী ও তার সহযোগীরা পথরোধ করে আবার চাঁদার টাকা চায়। এই নিয়ে মামুনের সঙ্গে রাব্বী ও তার সহযোগীদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে রাব্বী ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় মামুনকে।
পরে স্থানীয়রা মামুনকে উদ্ধার করে শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই ঘাতক রাব্বীকে আটক করা হয়। অপর দুই আসামিকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে মামুনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।