শনিবার (২৫ জুলাই) বিকালে অভিযান শেষে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শাহিন ও তার ভাই ইব্রাহিমকে ছয় মাস করে এবং দুই ভুয়া টেকনিশিয়ান শ্যাম সাহা ও শ্যামল মজুমদারকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি-এর অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রেজাউল করীম জানান, গোয়েন্দা পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসন যৌথভাবে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে এই অভিযান চালায়। এই সময় রোগীর নমুনার পরীক্ষার সনদে চিকিৎসকের জাল স্বাক্ষর ব্যবহার এবং পরীক্ষাগারে মেয়াদহীন উপকরণ পাওয়া যায়। এমনকি ল্যাবটির বৈধ কোনও সনদ ছিল না। হাতেনাতে ধরা পড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে দেয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান বলেন, অভিযানে বিভিন্ন মেয়াদে চার জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।