৪০০ কেজির মাছটি বিক্রি করতে মাইকিং

১০ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ বিক্রির জন্য বরিশাল নগরীতে মাইকিং করেছেন বিক্রেতা। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বিকালে নগরীর পোর্ট রোড মৎস্য বাজারে মাছটি কেটে বিক্রি করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে ভ্যান গাড়িতে করে বিশাল আকারের মাছটি নিয়ে মাইকিং করা হয়। এ সময় মাছটি দেখার জন্য ভিড় করে মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাপলাপাতা মাছটি বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড আড়ৎ থেকে কিনেছেন ক্ষুদ্র মাছ বিক্রেতা মো. রুবেল। তিনি মাছটি পোর্ট রোডের নুসরাত মৎস্য আড়ৎ থেকে ২৭০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন।

নুসরাত মৎস্য আড়তের মালিক রুহুল আমীন বলেন, সোমবার রাতে খুলনার রূপসা মৎস্য ঘাটের অ্যাকোয়া ফিশ নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে শাপলাপাতা মাছটি কেনেন।

রূপসা ঘাটের অ্যাকোয়া ফিশের মালিক রেজাউল মুন্সি বলেন, খুলনার ফিশিং বোট ত্রিরত্না থেকে ১০টি শাপলাপাতা মাছ সোমবার সকালে কেনেন। ওই বোটটি ১৩ দিনের জন্য সমুদ্রে গেলে ১১ দিনের মাথায় জেলেদের জালে ১০টি শাপলাপাতা মাছ ধরা পড়ে।

সোমবার সকালে বোটটি রূপাসা ঘাটে পৌঁছে। ২০ থেকে ২৫ ধরনের সামুদ্রিক মাছ ছিল বোটটিতে। ১০টি শাপলাপাতা মাছের মধ্যে দুটি বিক্রি করেন বরিশালের দুই আড়তদারের কাছে। যার মধ্যে ৪০০ কেজি ওজনের মাছটি কেনেন বরিশালের পোর্ট রোডের নুসরাত মৎস্য আড়তের মালিক রুহুল আমীন এবং ছোট মাছটি কেনেন নগরীর কাশীপুরের এক মৎস্য ব্যবসায়ী। বাকি আটটি শাপলাপাতা মাছ বিক্রি করা হয় খুলনায়।

বরিশাল জেলা মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য জহির সিকদার বলেন, মঙ্গলবার সকালে পোর্ট রোডে ২৭০ টাকা কেজি দরে ১০ মণ ওজনের মাছটি কেনেন রুবেল। ছোট মাছটি কেনেন নগরীর কাশীপুরের একটি ক্ষুদ্র মৎস্য ব্যবসায়ী। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে মাছটি ভ্যানে নিয়ে মাইকিং করা হয়।