বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) দায়িত্বশীল পদে থেকে বিভিন্ন বে-আইনি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সিটি মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সচিবকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিসিসির সাত জন কাউন্সিলর যৌথভাবে আইন নোটিশ দিয়ে পনেরো কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। নোটিশটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
নোটিশ দেওয়া কাউন্সিলররা হলেন– নগরীর ২৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিল হুমায়ুন কবির, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম, ২৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ, ২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান, ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমির হোসেন বিশ্বাস, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরীফ মো. আনিছুর রহমান (আনিছ শরীফ) ও ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার।
নোটিশদাতাদের আইনজীবী আজাদ রহমান জানান, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নিজ নিজ দায়িত্বে আছেন নোটিশদাতারা। কিন্তু সিটি মেয়রসহ অন্যরা করপোরেশনের দায়িত্বশীল পদে থেকে বিভিন্ন বে-আইনি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত আছেন। তারা নোটিশদাতাদের সম্মানী প্রদানে অনিয়ম করেছেন। করপোরেশনের প্রথম সভায় নোটিশ দেওয়া কাউন্সিলরদের সিটি করপোরেশনে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়। অথচ জনগণের স্বার্থে নোটিশদাতাদের বিভিন্ন কাজে সিটি করপোরেশনে যাওয়া এবং সেখানে জনগণের জন্য কাজ করা আবশ্যক। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতিরেকে এবং নোটিশ দাতাদের রেজুলেশনে স্বাক্ষর ব্যতিরেকে জনস্বার্থ উপেক্ষা করে হোল্ডিং ট্যাক্স কোনও কোনও ক্ষেত্রে ১০০০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে নোটিশদাতাদের ওয়ার্ডের জনসাধারণের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে নোটিশদাতাদের বিভিন্ন সময় জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে হয়।
একই সঙ্গে নোটিশে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নিয়োগে অনিয়ম এবং আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।