১৯৯০ সনে প্রতিষ্ঠিত চরফ্যাশন পৌর সভার বর্তমান আয়তন ১৯ দশমিক ৭৫ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। ভোটার ২২ হাজার ৩৩১ জন । এর মধ্যে পুরুষ ১১ হাজার ৫৭৪ এবং নারী ১০ হাজার। নির্বাচনে কেন্দ্র ১৪টি এবং বুথ ৭৭টি ।
চরফ্যাশন পৌর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে নির্বাচনী প্রচারণা আর গণসংযোগে এগিয়ে রয়েছে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বাদল কৃষ্ণ দেবনাথ আর তার কর্মী বাহিনী। তারা বিভিন্নভাবে ভোটারদের মনজয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগসহ দলের সব সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের দেখা গেছে প্রচারণায়। অন্যদিকে বিএনপি’র মেয়র প্রার্থীর পক্ষে জোড়েশোড়ে তেমন প্রচারণা দেখা যায়নি কেবল বিকালের পর থেকে মাইকিং ছাড়া। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে মেয়র প্রার্থী দিতে হবে শুধু সে জন্যই এখানে মেয়র প্রার্থী দেয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন খান জানান, চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দু’জন, ৩টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২ জন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমানে পৌর এলাকা প্রার্থীদের পোস্টারে সয়লাব। বিকাল ৪ টার পর থেকে শুরু হয় প্রার্থীদের মাইকিং।
সহকারী রির্টানিং অফিসার আবু ইউসুফ জানান, গত ১৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসহ সব কেন্দ্রে অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল টিম মোতায়েন থাকবে।
ভোলার পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশ বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে। এ পর্যন্ত কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। তিনি আশা করছেন নির্বাচন পরবর্তী সময় পর্যন্ত এ রকমই থাকবে।
/জেবি/এপিএইচ/আপ-এআর/