ভোলা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম পুলিশের বাধার মুখে নিজ নির্বাচনি এলাকায় যেতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তিনি।
নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, রবিবার (২৮ আগস্ট) সকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বোরহানউদ্দিনে যাচ্ছিলেন হাফিজ ইব্রাহিম। তার গাড়ির বহর ভোলা শহরের যুগিরঘোল এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। শত চেষ্টার পরও উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে নির্বাচনি এলাকায় যেতে দেয়নি।
পরে সেখানেই এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তিনি। এ সময় হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি বানচাল করতে আওয়ামী লীগ সকাল থেকেই উত্তেজনা সৃষ্টি করে। বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। বিএনপি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ডাক দিলেও পুলিশ কোনও সহযোগিতা করেনি। যেখানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা করছে, রাস্তা দখল করে অস্ত্রের মহড়া দিয়েছে, সেখানে পুলিশ তাদের কিছু না বলে উল্টো আমাকে নির্বাচনি এলাকায় যেতে বাধা দিয়েছে।
পরে সেখান থেকে ফিরে এসে শহরের কালিনাথ রায়ের বাজার এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সমাবেশ করেন তিনি।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ভোলা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ ট্রুম্যান, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ইয়ারুল আলম লিটন, থানা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফ, সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জামিল হোসেন ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিনসহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিমকে বোরহানউদ্দিনে যেতে দেওয়া হয়নি। আমাদের কাছে তথ্য ছিল হাফিজ ইব্রাহিম সেখানে গেলে বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। তাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে সেখানে যেতে না দিয়ে ভোলায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।